ওয়েব নিউজ: রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি ঢাকার  বনভোজন গত  ২৬ ডিসেম্বর-২০১৪ শুক্রবার জমকালো নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো। গাজীপুরের রাজবাগানে সংগঠনের বার্ষিক এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, অফিসার্স ক্লাব ঢাকার সাধারণ সম্পাদক আবু আলম মো. শহিদ খান, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান, পঙ্গু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. হামিদুল হক খন্দকার, গাজীপুর জেলা প্রশাসক  নুরুল ইসলাম, ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন সহ সংগঠনের আড়াই শর ও বেশি অতিথি এবং তাদের ৪০০ শর ও বেশি পরিবার সদস্য নিয়ে এই আনন্দ দিবস উদযাপিত হয়। সকাল ৯টায় ৮/৪-এ তোপখানা রোড সেগুন বাগিচা, ঢাকায় অবস্থিত   আরডিজেএ অফিসের সামনে থেকে ৮টি বাস ও ১১টি প্রাইভেট গাড়িতে বনভোজনের অংশগ্রহনকারীরা রওনা হন, গাজীপুরের উদ্দেশ্যে। এর আগেই বনভোজন স্থলে শুরু হয় পিঠা ও  শিশু মেলার মাধ্যমে দিনের শুরু হয়। চিতই, ভাপা মিঠার আসর ও বনভোজনে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিক পরিবারের শিশুদের জন্য নাগরদোলা, বানর খেলা , সাপ  খেলা ও ঘোড়া দৌড়ের বৈচিত্রময় আয়োজন ছিলো।  অংশগ্রহণকারী সদস্যদের  প্রত্যেককে একটি করে  গিফট ব্যাগও দেয়া হয় বনভোজন কমিটির পক্ষ থেকে । সকাল সাড়ে ১১টায় বনভোজন কমিটির আহ্বায়ক জাকারিয়া মুক্তা অনুষ্ঠানস্থলে অভ্যার্থনা জানান। সংগঠনের সভাপতি মুফদি আহমেদের  সভাপতিত্বে অথিতিদের  বরণ পর্ব চলে জুমআর নামাজের পুর্ব পর্যন্ত। এ অনুষ্ঠানে অতিথিদের  চাদর পরিয়ে,  ক্রেষ্ট দিয়ে সন্মান জানানো হয়। এরপর ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে অংশ নেন, খ্যাতিমান ভাওয়াইয়া শিল্পী সফিউল আলম রাজা,  জি বাংলার সা রে গা মা পা  খ্যাত মুন্না ও লালন শিল্পী খুশি। রংপুর থেকে আসা দলের প্রীতি হাউজি খেলাও উপভোগ করেন অতিথিরা। খাবারের আকর্ষনীয় আয়োজন ছিলো, মিল্কভিটার দই, টাঙ্গাইল পোড়াবাড়ির চমচম (তপন ঘোষ, মায়া মিষ্টান্ন ভান্ডার) আর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহি  বাকরখানি  বনভোজনের রাফেল  ড্র তে এবার ছিলো ৮০’টির ও বেশি পুরস্কার।  প্রথম পুরস্কার  ছিলো ল্যাপটপ, দ্বিতীয় ফ্রিজ। সফল সব আয়োজন শেষে সবাই নিরাপদে ফিরে আসেন রাত ৮টার দিকে।

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।