চূড়ান্ত খসড়া গঠনতন্ত্র

১. সংগঠনের নাম :
(ক) ২০০৯ সালের ১৩ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের নাম ‘রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা (আরডিজেএ) যা ইংরেজিতে (Rangpur Division Journalists Association, Dhaka (RDJA) |

২. সংগঠনের কার্যালয় ও গঠনতন্ত্রের ভাষাঃ
সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও প্রধান কার্যালয় হবে রাজধানী ঢাকায়। সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় একটি পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র থাকবে, যা বাংলা ভাষায় লিখিত হবে।

৩. সংগঠনের কার্যক্রম এলাকা :
রাজধানী ঢাকা এবং রংপুর বিভাগের আটটি জেলা এই সংগঠনের মূখ্য কার্যক্রমের এলাকা। দেশ এবং দেশের বাইরে অন্যান্য দেশের সংগঠনের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা বিনিময়ের মাধ্যমে এই সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।
৪. সংগঠনের মনোগ্রাম
রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার একটি মনোগ্রাম থাকবে, যা লাল ও সবুজের সমন্বয়ে  গোলাকৃতির হবে। এতে কালো অক্ষরে সংগঠনের নাম লেখা এবং মাঝখানের লাল সূর্যের ওপর সাদা রঙ্গেও কলম থাকবে। মনোগ্রামে বাংলায় ‘রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা’ লেখা থাকবে।

৫. রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা’র (রবিসাস, ঢাকা) আদর্শ ও লক্ষ্য :
এটি একটি আঞ্চলিক, বেসরকারি, অরাজনৈতিক, অলাভজনক, গবেষণাধর্মী ও জনকল্যাণমুলক সংগঠন। এর যাবতীয় আয় সংগঠনের নিম্নলিখিত আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যয় হবে।
(ক) বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় কর্মরত সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, অনলাইন ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক, যারা এই সংগঠনের সদস্য হবেন, তাদের পেশাগত মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, কল্যাণ সাধন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।
(খ) সদস্যদের কল্যাণে এক বা একাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি তহবিল গঠন করা এবং সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে তহবিলের অর্থ ব্যয় করা।
(গ) রংপুর বিভাগের আটটি জেলার (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও) বিভিন্ন আঞ্চলিক ও সামাজিক সমস্যা ও বঞ্চনাগুলো অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুলে এনে কেন্দ্রীয়ভাবে সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
(ঘ) সমস্যার পাশাপাশি এলাকার সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করতে এবং এগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজনে সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে কর্মশালা, সেমিনার ও সফর (ট্যুর) কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে সরকারের নজরে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
(ঙ) বিভাগের জেলাগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ এবং জনসম্মুখে প্রচারের ব্যবস্থা করা।
(চ) সংগঠন একক বা সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সাথে যৌথভাবে পরিচালিত উন্নয়ন ও গবেষণাধর্মী প্রকল্প নিতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে দেশী ও বিদেশী সাহায্যপুষ্ট সংস্থার সাথে যৌথভাবে কাজও করতে পারবে।
(ছ) যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা দুস্থ্য এলাকাবাসীর কল্যাণে সমিতির পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ অথবা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া যাবে।

৬. তহবিল গঠন :
(ক) সদস্যদের চাঁদা, অনুদান, প্রকাশনা, উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে আয় ও দেশী-বিদেশী সংস্থার দেয়া সহায়তার মাধ্যমে এই সংগঠনের তহবিল গঠিত হবে।
(খ) সদস্যদের মাসিক চাঁদা হবে ২০ টাকা। যা প্রতি মাসে অথবা বছরে একবার এককালীন পরিশোধ করা যাবে।
(গ) সংগঠনের একটি ব্যাংক একাউন্ট (হিসাব) থাকবে। যা অর্থ সম্পাদকের সঙ্গে সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। তবে অর্থ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ সাক্ষরে  হিসাব পরিচালনা করা যাবে।
(ঘ) সংগঠনের অর্থনৈতিক সকল কর্মকাণ্ড ও আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকবে। অর্থ সম্পাদক যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখবেন এবং সাধারণ সভায় অনুমোদিত অডিট সংস্থার নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রণীত হিসাবের অডিট রিপোর্ট পেশ করবেন। কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিটি সভায় পুর্ববর্তী সময়ের আয়-ব্যয় সম্পর্কে কমিটির সদস্যদের অবহিত ও অনুমোদন করতে হবে।
(ঙ) সদস্যদের কল্যাণে এক বা একাধিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা যাবে। সহ-সভাপতিদের মধ্য থেকে একজনকে প্রধান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদককে সদস্য সচিব করে এ তহবিলের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অর্থ সম্পাদক এ তহবিলের অন্যতম সদস্য হিসাবে থাকবেন।

৭. সদস্য হতে পারবেন যারা :
ঢাকায় কর্মরত রংপুর বিভাগের সাংবাদিকদের মধ্যে বিভিন্ন সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, অনলাইন বা ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমে কর্মরত সার্বক্ষণিক সম্পাদক, প্রকাশক, নির্বাহী সম্পাদক, যুগ্ম-সম্পাদক, উপ-সম্পাদক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, বার্তা প্রধান, প্রধান বার্তা সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক, সহকারী সম্পাদক, সহ-সম্পাদক, নগর সম্পাদক, প্রধান প্রতিবেদক, উপ-প্রধান প্রতিবেদক, অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর, বিশেষ প্রতিনিধি, প্রতিবেদক, ফিচার এডিটর ও লেখক, মফস্বল সম্পাদক, নিউজ রুম এডিটর, সংবাদ উপস্থাপক, সংবাদ প্রযোজক, ভিডিও এডিটর, সম্পাদনা সহকারী এবং আলোকচিত্র সাংবাদিক ও ভিডিও সাংবাদিকরা নির্ধারিত ফরম পূরণ করে ও ফি জমা দিয়ে আবেদনের মাধ্যমে এই সংগঠনের স্থায়ী সদস্য হতে পারবেন।
(খ) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এরসঙ্গে সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত রয়েছেন, এমন বিভিন্ন গণমাধ্যমের অন্য বিভাগে কর্মরত রংপুর বিভাগের কর্মীরা এতে সহযোগী সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন। তবে নতুন করে কোন সহযোগী সদস্য অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না। সহযোগী সদস্যরা সংগঠনের অন্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও ভোটাধিকার পাবেন না।
(গ) সহ-সভাপতিদের মধ্যে একজনকে আহ্বায়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সদস্য সচিব করে নির্বাহী কমিটির সদস্য অথবা সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে পাঁচ সদস্যের একটি সদস্য বাছাই কমিটি থাকবে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য নির্বাহী কমিটি থেকেই থাকবে। এ কমিটি সদস্য হওয়ার যোগ্য আবেদনকারীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করে একটি প্রস্তাবনা নির্বাহী কমিটিতে উপস্থাপন করবেন। সদস্য পদ দেয়ার ক্ষেত্রে নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

৮. সদস্যপদ বাতিল বা স্থগিত :
(ক) সংগঠনের কোন সদস্য পেশা ত্যাগ করলে তার সদস্য পদ বাতিল কিংবা স্থগিত করা যাবে। তবে পেশায় ফিরে এলে পুনরায় সদস্য পদের জন্য আবেদন করা যাবে।
(খ) কোন সদস্যের বিরুদ্ধে সংগঠনের আদর্শ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজে জড়িত থাকার কোন অভিযোগ উত্থাপিত হলে কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের শৃঙ্খলার ¯^v‡_© ওই সদস্যের সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত রাখতে পারবে। এক্ষেত্রে নির্বাহী কমিটি বিষয়টি তদন্তের জন্য শৃঙ্খলা উপ-কমিটির কাছে পাঠাবে। শৃঙ্খলা উপ-কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হলে দোষী সদস্যের সদস্যপদ চূড়ান্তভাবে বাতিল বা স্থগিত করা অথবা সতর্কীকরণ নোটিশ দেয়া যাবে। পরবর্তীতে বিষয়টি বার্ষিক সাধারণ সভায় উত্থাপণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
(গ) সহ-সভাপতিদের মধ্যে একজনকে আহ্বায়ক এবং সাংগঠনিক সম্পাদককে সদস্য সচিব করে নির্বাহী কমিটির সদস্য অথবা সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে পাঁচ সদস্যের একটি শৃঙ্খলা উপ-কমিটি গঠিত হবে। নির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় এ কমিটি গঠিত হবে। এতে সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সদস্য থাকবেন। এই কমিটি কোন সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগসহ অভিযোগ তদন্ত করে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন নির্বাহী কমিটির কাছে জমা দেবে। শৃঙ্খলা কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাহী কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

৯. নির্বাহী কমিটি ঃ
(ক) সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সতের (১৭) সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি সদস্যদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবে। সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকরা এই কমিটিতে পদাধিকার বলে সদস্য হবেন। কমিটির মেয়াদ হবে দুই (২) বছর, যা নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে কার্যকর হবে।
(খ) নির্বাচিত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে না পারলে নির্বাহী কমিটির ১ b¤^i সদস্য অথবা অন্য কোন যোগ্য ব্যক্তিকে আহ্বায়ক করে সর্বোচ্চ সাত (৭) সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করবে। কোনভাবেই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নির্দিষ্ট সময়ের পরে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।
(গ) নির্বাহী কমিটিতে একজন (১) সভাপতি, দুইজন (২) সহ-সভাপতি, একজন (১) সাধারণ সম্পাদক, দুইজন (২) যুগ্ম-সম্পাদক, একজন (১) সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন (১) অর্থ সম্পাদক, একজন (১) প্রচার সম্পাদক, একজন (১) ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, একজন (১) সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, একজন (১) নারী বিষয়ক সম্পাদক ও একজন (১) দপ্তর সম্পাদক এবং চারজন (৪) নির্বাহী সদস্য থাকবেন।
(ঘ) সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতিদের মধ্য থেকে ক্রমানুসারে একজন সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। একইভাবে সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম-সম্পাদকদের মধ্যে ক্রমানুসারে একজন ওই দায়িত্ব পালন করবেন।
(চ) কোন কারণে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক কিংবা উভয় পদ শূন্য হলে তা পূরণেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে শূন্য অন্য পদগুলো নির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। নির্বাহী সদস্যের শূন্য পদ সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনয়নের (কো-অপ্ট) মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
(ছ) সহ-সভাপতি বা অন্য কোন সম্পাদকীয় পদ শূন্য হলে নির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ওই শূন্য পদ পুরণ করতে হবে। নির্বাহী কমিটির সদস্যের পদ শূন্য হলে সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে কো-অপ্ট বা মনোনয়নের মাধ্যমে তা পূরণ করা যাবে।

১০. নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা :
(ক) সভাপতি : সভাপতি সংগঠনের মর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। তিনি সংগঠনকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সভাপতি সংগঠনের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনায় সাধারণ সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যদের পরামর্শ দেবেন এবং নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কোন কারণে সভাপতির পরামর্শ সত্বেও পরপর তিনমাস সাধারণ সম্পাদক সভা আহ্বান না করলে সভাপতি নিজেও সভা আহ্বান করতে পারবেন।
(খ) সহ-সভাপতি : সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতিরা ক্রমানুসারে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতিরা সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তারাও কোন সভায় অনুপস্থিত থাকলে নির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে থেকে ক্রমানুসারে সভাপতিত্ব করবেন। সহ-সভাপতিরা বিভিন্ন উপ-কমিটিতে অর্পিত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
(গ) সাধারণ সম্পাদক : সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের নির্বাহী প্রধান। তিনি সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা এবং অর্থ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে হিসাব তদারকি করবেন। সভাপতির পরামর্শক্রমে তিনি নির্বাহী কমিটির সভা এবং সাধারণ সভা আহ্বান করবেন। সংগঠনের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের জন্য সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সদস্য এবং নির্বাহী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। বার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাহী কমিটির কর্মকান্ডের বিবরণী তুলে ধরবেন।
(ঘ) যুগ্ম-সম্পাদক : সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম-সম্পাদকরা ক্রমানুসারে ওই দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও বিভিন্ন উপ-কমিটিতে তার ওপর অর্পিত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
(ঙ) সাংগঠনিক সম্পাদক : সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ, সদস্য বাছাই এবং যাবতীয় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন। সংগঠনের কোন সদস্য কোন প্রকার শৃঙ্খলা লংঘন করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী কমিটির কাছে লিখিত সুপারিশ করবেন এবং এ ব্যাপারে নির্বাহী কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। এজন্য নির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় তাকে সদস্য সচিব করে একটি সদস্য বাছাই কমিটি এবং শৃঙ্খলা উপ-কমিটি গঠিত হবে।
(চ) অর্থ সম্পাদক : অর্থ সম্পাদক সংগঠনের যাবতীয় আয় ও ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন। বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরবেন। সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যৌথভাবে সংগঠনের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করবেন।
(ছ) প্রচার সম্পাদক : সংগঠনের যাবতীয় কর্মকাণ্ড প্রচার ও প্রকাশনার কার্যক্রম তার অধীনে পরিচালিত হবে। সংগঠন কোন প্রকার প্রকাশনার উদ্যোগ নিলে প্রচার সম্পাদক এর সম্পাদনার দায়িত্ব পাবেন। তবে এক্ষেত্রে তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করবেন।
(জ) ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক : সংগঠনের যাবতীয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক কর্মকাণ্ড আয়োজন ও পরিচালনা করবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দেবেন।
(ঝ) সমাজ কল্যাণ সম্পাদক : সংগঠনের উন্নয়ন ও সেবামূলক যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। সংগঠন নির্দিষ্ট এলাকায় যে উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে, তা তার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।
(ঞ) নারী বিষয়ক সম্পাদক : নারী উন্নয়ন ও এ সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড তার নেতৃত্বেই পরিচালিত হবে।
(ট) দপ্তর সম্পাদক : সংগঠনের অফিস, অফিস স্টাফ এবং দাপ্তরিক যাবতীয় কর্মকাণ্ড তার অধীনে পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে দপ্তর সম্পাদক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। নির্বাহী সভা এবং সাধারণ সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ এবং তা সংরক্ষণ করবেন।
(ঠ) নির্বাহী সদস্য : নির্বাহী কমিটির সভায় অংশগ্রহণ করবেন এবং বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দেবেন। এছাড়াও নির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন। সভাপতি ও সহ-সভাপতিদের অনুপস্থিতিতে নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

১১. নির্বাহী কমিটির কার্যক্রম :
(ক) নির্বাহী কমিটি প্রত্যেক মাসে কমপক্ষে একটি সভা করবে। নির্বাহী কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্য উপস্থিত থাকলে সভার কোরাম পূর্র্ণ হবে।
(খ) সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে অথবা তাকে পাওয়া না গেলে সহ-সভাপতিদের সঙ্গে পরামর্শ করে সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের আর্থিক বিষয়সহ সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ সম্পাদক তিনদিনের নোটিশে নির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান করতে পারবেন। তবে জরুরী ভিত্তিতে চব্বিশ (২৪) ঘন্টার নোটিশেও সভা আহ্বান করা যাবে।
(গ) সাধারণ সম্পাদক পরপর তিনমাস নির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান না করলে সভাপতি সরাসরি সভা আহ্বান করতে পারবেন। সভাপতিও সভা আহ্বানে অসম্মত হলে তিনমাস পর নির্বাহী কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্যের যৌথ স্বাক্ষরে নির্বাহী কমিটির তলবী সভা আহ্বান করা যাবে।
(ঘ) নির্বাহী কমিটির সকল কর্মকর্তা ও সদস্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন ও কমিটিতে গৃহিত সিদ্ধান্ত মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। এর ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা সদস্যের বিরুদ্ধে নির্বাহী কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।
(ঙ) সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের পুর্বানুমতি ছাড়া নির্বাহী কমিটির কোন সদস্য পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তার পদ স্থগিত করা যাবে। এজন্য ওই সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে।

১২. কমিটির কার্যক্ষমতা
(ক) সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নির্বাহী কমিটি প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের মুখপাত্র হবেন। সভাপতির অনুপস্থিতি অথবা তার সম্মতিতে সহ-সভাপতিরা যে কোন সভা অথবা অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন।
(খ) সংগঠন কোনভাবেই ট্রেড ইউনিয়নের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে না। তবে সদস্য এবং সাংবাদিক সমাজের পেশাগত স্বার্থ  রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে।
(গ) সংগঠন কোন দলীয় বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে না। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির কোন সদস্য রাজনৈতিক বক্তব্য অথবা রাজনৈতিক প্লাটফর্মে বক্তব্য দিতে পারবেন না। এ ধরণের কর্মকাণ্ড সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ড হিসেবে গণ্য হবে।

১৩. সাধারণ সভা :
(ক) প্রতি বছর অন্তত: একটি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা করতে হবে। প্রয়োজনে মধ্যবর্তী সময়ে এক বা একাধিক বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করা যাবে।
(খ) বার্ষিক ও বিশেষ সাধারণ সভার ক্ষেত্রে কমপক্ষে দু’সপ্তাহ আগে সভা আহ্বানের নোটিশ সদস্যদের কাছে পাঠাতে হবে।
(গ) মোট সাধারণ সদস্যের এক-চতুর্থাংশ সদস্যের উপস্থিতি সাধারণ সভার কোরাম হিসেবে গণ্য হবে। উপস্থ্থিত সদস্যদের অধিকাংশের (সংখ্যাগরিষ্ঠ) ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহিত হবে।
(ঘ) সাধারণভাবে সেপ্টেম্বর  মাসের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ পরিস্থিতির উদ্ভব হলে সংগঠনের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্তক্রমে সাধারণ সভা ও নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা যাবে। ন্যুনতম ৩৫ জন সদস্যের উপস্থিতি বর্ধিত সভার কোরাম হিসেবে গণ্য হবে।

১৪. তলবী সাধারণ সভা :
(ক) নির্বাহী কমিটির কোন সদস্য কিংবা নির্বাহী কমিটির কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে হলে কিংবা তলবী সাধারণ সভা ডাকতে হলে সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে এক-পঞ্চমাংশ সদস্যের স্বাক্ষরে তলবী সাধারণ সভায় বা অনাস্থা প্রস্তাবের জন্য সভা আহ্বান করা যাবে।
(খ) সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিতভাবে তলবী সাধারণ সভার প্রস্তাব জমা দিতে হবে।
(গ) তলবী সাধারণ সভার প্রস্তাব দাখিলের দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করতে হবে। সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক সভা আহবানে ব্যর্থ হলে এই সময়ের পরে তলবী বা অনাস্থা প্রস্তাবকারীরা নিজেরাই সভা আহ্বান করতে পারবেন।
(ঘ) এক্ষেত্রে মোট সাধারণ সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম এবং উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্টের ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহিত হবে।
(ঙ) নির্বাহী কমিটি বা তলবী সাধারণ সভায় সংশ্লিষ্ট অনাস্থা প্রস্তাব গৃহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাহী কমিটি বাতিল হয়ে যাবে। কমিটি বাতিল হলে ওই সভাতেই অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত (৭) সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হবে। আহ্বায়ক কমিটি পরবর্তী দুই মাসের (৬০ দিন) মধ্যে এজিএম করে নতুন পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটির নির্বাচন এবং নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরে বাধ্য থাকবে।

১৫. নির্বাচন :
(ক) সংগঠনের স্থায়ী সদস্যদের সরাসরি ভোটে সতের (১৭) সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সর্বোচ্চ সাতদিনের মধ্যে নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বিদায়ী নির্বাহী কমিটি।
(খ) নির্বাচনে কোন প্যানেল বা পরিষদভুক্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যাবে না।
(গ) নির্ধারিত মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করলে কোন সদস্যের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হবে না।
(ঘ) ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে, এমন সদসদের মধ্যে থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে।
(ঘ) কোন সদস্য সংগঠনের সদস্যপদ পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে সংগঠনের কোন নির্বাচনে প্রার্থী বা ভোটার হতে পারবেন না।
(ঙ) কোন সদস্য নির্বাহী কমিটির একই কর্মকর্তা পদে পরপর দু’বার নির্বাচিত হলে পরবর্তী নির্বাচনে একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। তবে কমিটির নির্বাহী সদস্য পদে দুইবারের বেশি নির্বাচন করতে কোন বাধা থাকবে না।
(চ) নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ (৩) সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে। সংগঠনের জ্যেষ্ঠতম সদস্য অথবা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য কোন ব্যক্তিত্ব এ কমিশনের সদস্য হতে পারবেন। কমিশনের জ্যেষ্ঠতম সদস্য কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বিবেচিত হবেন। নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিশন অন্য সদস্যদের সহায়তা নিতে পারবেন।
(ছ) নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ৩০ দিন আগে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে। এ কারণে ভোটার তালিকা প্রকাশের কমপক্ষে সাত (৭) দিন আগে নির্বাহী কমিটি কমিশনের কাছে ভোটার হওয়ার যোগ্য সদস্যদের নামের তালিকা হন্তান্তর করবে, অর্থাৎ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক স্বাক্ষরিত তারিখ ও সীল m¤^wjZ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা কমিশনের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
(জ) নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কমপক্ষে তিন (৩) সপ্তাহ আগে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবে।
(ঝ) নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের জন্য একটি আচরণ বিধি প্রণয়ন করবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এই আচরণ-বিধি মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। কেউ এই আচরণ বিধি লংঘন করলে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থিতা বাতিলসহ অন্য কোন ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

১৬. গঠনতন্ত্র সংশোধন :
(ক) প্রয়োজনে সংগঠনের গঠনতন্ত্রে সংশোধনী আনা যাবে। গঠনতন্ত্রের কোন ধারা বা উপ-ধারা সংযোজন বা বিয়োজন করা যাবে। গঠনতন্ত্রের সংশোধনীর জন্য আনা প্রস্তাব সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভার পনেরো (১৫) দিন আগে লিখিতভাবে নির্বাহী কমিটির কাছে জমা দিতে হবে।
(খ) সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নির্বাহী কমিটি সাধারণ সভা অথবা বিশেষ সাধারণ সভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবেন। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংগঠনের গঠনতন্ত্রেও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হবে।
(গ) নির্বাচিত নির্বাহী কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের আগের অন্তবর্তীকালীন আহ্বায়ক কমিটির দাপ্তরিক বা নির্বাচনকালীন সকল কার্যক্রম বৈধতার জন্য এজিএম-এ উপস্থাপন এবং অনুমোদন নিতে হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর আহ্বায়ক কমিটি অথবা বিদায়ী নির্বাহী কমিটি দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারবে। এছাড়া বিদায়ী কমিটির অন্য কোন ধরণের কার্যক্রম গ্রহণ বা আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন থাকলে, তা নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে আলোচনা বা পরামর্শ করেই করতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
(ঘ) নির্বাহী কমিটির যেকোন কার্যক্রম অনুমোদন, বর্জন, স্থগিত বা বাতিল করার এখতিয়ার সাধারণ সভা সংরক্ষণ করে।
(ঙ) যে সকল বিষয় বা কার্যক্রম গঠনতন্ত্রে উল্লেখ নেই, সেসব বিষয়ে নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তবে এক্ষেত্রে সিদ্ধান্তগুলো পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।

******************************************************************
গঠনতন্ত্র প্রণয়ন বিষয়ক কমিটির কর্মকর্তাদের নাম :
আহ্বায়ক  : মহসীনুল করিম লেবু    ——-
সদস্য  : অমিয় ঘটক পুলক        ——-
: মিথুন কামাল        ——-
: এমজে ইসলাম        ——-
: হাবিবুর রহমান        ——-

 

সর্বশেষ আপডেট সোমবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:২৫